Indian Visa for Medical and Travel to Benglore
আজকের ভ্রমণ কাহিনীতে আমি আমার ব্যাক্তি গত মেডিকেল ভিসা এবং কিভাবে আমি বেঙ্গলের গেলাম এবং আমার সকল খুটি নাটি খরচ বর্ননা করার চেষ্টা করব।
তাহলে শুরু করি ;
ছোট্ট একটি শহর মেহেরপুর এখানেই আমার বড় হওয়, বুদ্ধি হওয়া থেকে দেখি আমার বাবার ডাইবেটিক আছে, তাই এটা আমার কাছে তেমন কিছু না বলেই মনে হত। কিন্তু এখন মানে আবার বয়স এখন ৭০ এর কাছে।
আমার বাবার চোখের আলো দিনে দিনে কমতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের অনেক বড় হাসপাতাল এ যেয়ে দেখান হল, অনেকে অনেক রকম ভাবে চেষ্টা করলেন, এতে খারাপ এর চাইতে ভালো কিছু হল না। উল্টা বাবার চোখে যা দেখতেন তার চাইতে আরও বেশি কমে গেল। এক ডাক্তার বললেন চাচা আর কিছুই করার নায়। আপনার বাম চোখে শেষ এখন ডান দিকের টা দেখেন বাঁচানো যায় কিনা। এই কথা যানার পর আমার বাবা বাসায় এসে অনেক কান্না করছেন, বিকেলের দিকে অন্য এক হাসপাতাল এ যেয়ে শেষ বারের মত কথা বললাম এখন কিছু কি করা যাবে না। উনি বললেন যে ডান চোখ টা দেখা যাইতে পারে। এসব শুনে বাবাকে বললাম আব্বু বাসায় যেয়ে প্রস্তুতি নাও আল্লাহ চাইলে হবে কিন্তু আমরা চাই টাকা ইন্ডিয়া তে দিয়ে আসি । বাবা কিছু বললেন না, শুধুই কান্না করলেন বললেন আমার আর বেশি দিন নাই। চোখ না থাকলে বেচে থেকে কি করব।
এই কথা শুনে নিজের চোখের কান্না ধরে রাখতে পারিনি। তার পরও জোর করেই বললাম আব্বু যা আছে কপালে চলেন। নতুন করে পাসপোর্ট এর ঝামেলা হবে আবার ভিসা এই কারণে আব্বু রাজি হচ্ছিল না। বাসাই সবাই কে বলে অবশেষে আব্বু কি রাজি করানো হয়েছিল।
আমার বাবার চোখের আলো দিনে দিনে কমতে শুরু করেছে। বাংলাদেশের অনেক বড় হাসপাতাল এ যেয়ে দেখান হল, অনেকে অনেক রকম ভাবে চেষ্টা করলেন, এতে খারাপ এর চাইতে ভালো কিছু হল না। উল্টা বাবার চোখে যা দেখতেন তার চাইতে আরও বেশি কমে গেল। এক ডাক্তার বললেন চাচা আর কিছুই করার নায়। আপনার বাম চোখে শেষ এখন ডান দিকের টা দেখেন বাঁচানো যায় কিনা। এই কথা যানার পর আমার বাবা বাসায় এসে অনেক কান্না করছেন, বিকেলের দিকে অন্য এক হাসপাতাল এ যেয়ে শেষ বারের মত কথা বললাম এখন কিছু কি করা যাবে না। উনি বললেন যে ডান চোখ টা দেখা যাইতে পারে। এসব শুনে বাবাকে বললাম আব্বু বাসায় যেয়ে প্রস্তুতি নাও আল্লাহ চাইলে হবে কিন্তু আমরা চাই টাকা ইন্ডিয়া তে দিয়ে আসি । বাবা কিছু বললেন না, শুধুই কান্না করলেন বললেন আমার আর বেশি দিন নাই। চোখ না থাকলে বেচে থেকে কি করব।
এই কথা শুনে নিজের চোখের কান্না ধরে রাখতে পারিনি। তার পরও জোর করেই বললাম আব্বু যা আছে কপালে চলেন। নতুন করে পাসপোর্ট এর ঝামেলা হবে আবার ভিসা এই কারণে আব্বু রাজি হচ্ছিল না। বাসাই সবাই কে বলে অবশেষে আব্বু কি রাজি করানো হয়েছিল।
ঢাকা তে না করে গ্রামে গিয়ে পাসপোর্ট করতে দিয়েছিলাম এতে কিছুটা সুবিধা হইয়েছিল। প্রায় ৩০ দিন পরে পাসপোর্ট টা হাতে পেয়েছি,
মজার বেপার আমরা এতে কোন প্রকার দালাল বা কার কাছে ধরনা ধরতে যাই নাই, নিজেরা সব করেছি এতে কোনও বেশি টাকা দেয়াও লাগে নায়।
এর পর আসল ভিসা নিয়ে কাজ, নিজেরাই ভিসা প্রসেস করতে চেয়েসিলাম কিন্তু কোন এক কারণে সেঁটা আর হয়নি। এতেই একটু বিপদ হইয়ে ছিল, নিজেরা নিজেরা করলে এমন হত না।
মেডিকেল ভিসা করতে যা যা লাগেঃ
১। ইন্ডিয়া থেকে যে হাসপাতাল যাবেন সেখান কার একটা অনুমতি পত্র
২। বিদ্যুৎ বিলের কাগজ
৩। ডলার এন্ডর্স করতে হবে পাসপোর্ট এ
৪। অথবা ৬ মাসের ব্যঙ্ক ট্রানশেকজন
৫। বাংলাদেশ এর মেডিকেল এর সকল কাগজ
৬। ভ্যালিড পাসপোর্ট ৬ মাস মেয়াদ আছে এমন
৭। ভিসা ফরম
৮। এন আই ডী ফটোকপি এবং মুল কপি সাথে রাখতে হবে
৯। নাগরিকতার সনদ ( কেন লাগে বুঝি না, যেখানে এন আই ডী নেয়)
অবশ্যই সাদা বেগ গ্রাউন্ড নিয়ে পাসপোর্ট সাইজ ছবি (চোখে চশমা থাকা যাবেনা)
Comments
Post a Comment